শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১৬

ধর্ম কি ??

ধর্ম তত্ত্ব জানিতে হইলে প্রথমে ধর্ম কি তাহা বিশেষরুপে বুঝিতে হইবে। ধর্ম কাহাকে বলে ? -
             ধ্রিয়তে ধর্ম ইত্যাহুঃ স এব পরমঃ প্রভুঃ।
ধারন করে বলিয়া ইহার নাম ধর্ম। পুণ্য কি , পাপ কি , মন্দ কি জ্ঞান কি , অজ্ঞান কি, সুন্দর কি , কুৎসিৎ কি - এক কথায় ভাল কি , মন্দ কি, যাহা ধারন করে,তাহাই ধর্ম। লোকসকল বা জগতময় যাহাতে ধৃত বা নিহিত , তাহাকেই ধর্ম বলে। অথবা লোকসকল যাহাকে ধারন করিয়া আছে , তাহাই ধর্ম। কেবল লোকসকল নয়, অনু ,পরমানু পর্যন্ত ভুবনত্রয়ে যাহা কিছুর সম্ভাবনা আছে সবকিছুই ধর্মের দ্বারা ধৃত , রক্ষিত ও পরিচালিত । ধর্মই জগৎযন্ত্রের যন্ত্রী - ধর্মই সুখের স্বরুপ। ধর্মের জন্যই জাগতিক পদার্থের আকুল আকাঙ্খায় ছুটাছুটি ।

                         দেবতা, মানুষ্য, কীট,পতঙ্গ,উদ্ভিদ ও জড়পিন্ড প্রভৃতি ত্রিলোকস্ত যাবতীয় পদার্থেরই ধর্ম ও সাধনার আবশ্যকতা আছে । তবে মানুষের ধর্ম আছে , ধর্ম জ্ঞান আছে, - আর পশু-পাখি,কীট-পতঙ্গ, জড়পদার্থ ইত্যাদি সকলের ও ধর্ম আছে , ধর্ম জ্ঞান নেই । ধর্মজ্ঞান আছে বলিয়াই মানুষ অন্যান্য প্রাণী হইতে শেষ্ঠ । মানুষ জীবসৃষ্টির চরমোন্নতি , ধর্মসাধনার উপযুক্ত ক্ষেত্র , তাই মানুষ জ্ন্মজন্মান্তরের অনুশিলনবলে ধর্মজ্ঞানে সমুন্নত হয় , ও সাধনপথে অগ্রসর হয়। তাই মানুষ হচ্ছা করিলে ধর্মসাধনায় সাফল্য লাভ করতে পারে , অন্য জীব তা কখনো পারেনা। হার্বাট স্পেন্সার ও অন্যান্য পাশ্চাত্য বিজ্ঞানিগন বলেন -” ক্রমবিবর্তনবাদে এক বিন্দু বালুকণা মহামহীধরে পরিনত হয়, বা মানুষ হইয়া জ্ঞানের জ্যোতিঃ বিকীর্ন করিয়া থাকে ”। বালুকনার যে ধর্ম আছে , সে ধর্মই তাহাকে ক্রমবিবর্তন বাদে জন্মান্তরীয় উন্নতীর পথে বহু কালক্রমে বহুজন্মের মধ্যদিয়ে মানুষে পরিণত হয়।


Lalon Bangladesh

শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৬

সর্ব সাধারনের জন্য নিবেদন..........

                                                       ”এমন মানব সমাজ কবে গো সৃজন হবে
                                                           যেদিন হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খৃষ্টান
                                                                 জাতি গোত্র নাহি রবে ”
                                                                        - ফকির লালন সাঁই ।
সর্বত্রই এখন দিন বদলের হাওয়া বিদ্যমান।লালন সাঁইজীর বাণী (লালন সঙ্গীত) ও এই দিন বদলের হাওয়ায় বলা চলে অনেকটাই এগিয়ে।লালন সঙ্গীত আজ শুধু কুষ্টিয়া তথা বাংলাদেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয় বিশ্বের অনেক দেশেই এর নিবির প্রচার চলছে এবং তা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে। শুধু তাই নয় লালন সঙ্গীত এখন বিভিন্ন ভাষায় লিপিবদ্ধ হচ্ছে। আসলে বাংঙ্গালী জাতি হিসেবে এসব সংবাদ আমাদের জন্য সুসংবাদই বটে এক্ষেত্রে সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং শিল্পপতি,ব্যাবসায়ী ,বহুজাতিক কোম্পানী ও আপামর জনসাধারনের একান্ত সহযোগিতা সত্যিই প্রশংসনীয়।তদুপরি কিছু সংখ্যক নামধারি শিল্পী লালন সঙ্গীত কে ফিউশনের নামে এর ভাব,সুর ও বাণী কে বিকৃত করে চলেছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই প্রেক্ষাপটে লালন সঙ্গীতকে তথাকথিত ফিউশনের বলয় হইতে রক্ষাকল্পে লালন বাংলাদেশ এর রয়েছে কিছু পরিকল্পনা,কার্যক্রম ও প্রচার অভিযান।
লালন বাংলাদেশ মনে করে