শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১৬

সর্ব সাধারনের জন্য নিবেদন..........

                                                       ”এমন মানব সমাজ কবে গো সৃজন হবে
                                                           যেদিন হিন্দু-মুসলমান-বৌদ্ধ-খৃষ্টান
                                                                 জাতি গোত্র নাহি রবে ”
                                                                        - ফকির লালন সাঁই ।
সর্বত্রই এখন দিন বদলের হাওয়া বিদ্যমান।লালন সাঁইজীর বাণী (লালন সঙ্গীত) ও এই দিন বদলের হাওয়ায় বলা চলে অনেকটাই এগিয়ে।লালন সঙ্গীত আজ শুধু কুষ্টিয়া তথা বাংলাদেশের সীমানায় সীমাবদ্ধ নয় বিশ্বের অনেক দেশেই এর নিবির প্রচার চলছে এবং তা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলছে। শুধু তাই নয় লালন সঙ্গীত এখন বিভিন্ন ভাষায় লিপিবদ্ধ হচ্ছে। আসলে বাংঙ্গালী জাতি হিসেবে এসব সংবাদ আমাদের জন্য সুসংবাদই বটে এক্ষেত্রে সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং শিল্পপতি,ব্যাবসায়ী ,বহুজাতিক কোম্পানী ও আপামর জনসাধারনের একান্ত সহযোগিতা সত্যিই প্রশংসনীয়।তদুপরি কিছু সংখ্যক নামধারি শিল্পী লালন সঙ্গীত কে ফিউশনের নামে এর ভাব,সুর ও বাণী কে বিকৃত করে চলেছে যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এই প্রেক্ষাপটে লালন সঙ্গীতকে তথাকথিত ফিউশনের বলয় হইতে রক্ষাকল্পে লালন বাংলাদেশ এর রয়েছে কিছু পরিকল্পনা,কার্যক্রম ও প্রচার অভিযান।
লালন বাংলাদেশ মনে করে
লালন সঙ্গীত তথা উচ্চ মার্গের ভাব সঙ্গীত মানুষের হৃদয়ঙ্গম হইলে মানুষের মধ্যে বিনয় আসবে। মানুষে-মানুষে প্রতিহিংসা,বিভেদ,মারামরি,হানহানি,বিদ্বেষ ওরিপুর তারনা কমে যাবে।অজ্ঞতা দুর হবে। মুদ্দা কথায় অঙ্গধারী মানুষ সত্যিকারের মন মানুষ হবে। ধারনা করা হয় সুর হৃদয় স্পর্শ করে, বাস্তবতায় পর্যবেক্ষন করলে সুর ও মন কোনটাই দেখা যায় না তথাপি অনুভব করা যায়। সুর প্রকৃতি ও মন কে নিয়ন্ত্রন করে আবার বেসুর/অনসুর/অসুর প্রকৃতি ও মন কে উগ্র ও হিংস্র করে তোলে।দিব্য জ্ঞান ও দিব্য দৃষ্টি দিয়ে বর্তমান প্রজন্ম ও প্রকৃতিকে পর্যবেক্ষন করলে তা উপলদ্ধি করা যায়। উচ্চ মার্গের বাণী/সঙ্গীত/কথা শ্রবন করলে মানুষের আত্নিক উন্নয়ন ঘটে,মানুষ হয়ে উঠে দিব্য জ্ঞানী। তেমনি নিম্ন মানের কথা/সঙ্গীত মানুষের পাশবিক গুণাবলী বৃদ্ধি করে মানুষকে করে তোলে মনুষত্বহীন,অজ্ঞান।
লালন বাংলাদেশ মনে করে মরমী সুর/সঙ্গীত/উচ্চ মার্গের বাণীর ব্যাপক প্রচার ঘটিয়ে, সঙ্গীতকে আনন্দ বিনোদনের পরিবর্তে আত্নিক উন্নয়নের মাধ্যম হিসেবে গ্রহন করে  বিশাল জনগোষ্ঠির মধ্যে ক্রমান্বয়ে আমুল পরিবর্তন এনে  দেশকে দুর্ণীতি,প্রতিহিংসা ও সন্ত্রাস মুক্ত করা সম্ভব।
এরই লক্ষে  লালন বাংলাদেশ এগিয়ে চলছে এবং আপনার সহযোগিতা,পরামর্শ ও সক্রিয় অংশগ্রহন একান্তভাবে কামনা করছে। সকল জীবের কল্যান হউক, দেশ থেকে জঙ্গীবাদ,দুর্ণীতি,প্রতিহিংসা ও সন্ত্রাসবাদ নির্মুল হউক এই প্রার্থনায় শেষ করছি।আলেক সাঁই।
lalon bangladesh
লালন বাংলাদেশ

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন